ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬ , ২৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

​ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন রাজশাহীতে মাদক ব্যবসায় রাজি না হওয়ায় হামলা ও লুটপাট ও অন্তঃসত্ত্বা নারীর উপর হামলার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট সময় : ২০২৬-০৪-০৭ ১৯:০৫:৪০
​ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন রাজশাহীতে মাদক ব্যবসায় রাজি না হওয়ায় হামলা ও লুটপাট ও অন্তঃসত্ত্বা নারীর উপর হামলার অভিযোগ ​ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন রাজশাহীতে মাদক ব্যবসায় রাজি না হওয়ায় হামলা ও লুটপাট ও অন্তঃসত্ত্বা নারীর উপর হামলার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী:


রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া থানার খরবোনা নদীর পাড় এলাকায় মাদক কারবারে রাজি না হওয়ায় ভুক্তভোগীর পরিবারের ওপর সন্ত্রাসী হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে সেচ্ছা-সেবক দলের নেতা ও বাহীনির বিরুদ্ধে। হামলায় মোঃ মুস্তাকিন (২৫), নামে এক যুবকের ৯মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আহত হয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় ভুক্তভোগী মুস্তাকিন প্রতিকারের আশায় নগরীর অনুরাগ কমিউনিটি সেন্টারে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। 


সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী মোঃ মুস্তাকিন। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, গত রোববার (৫ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে সেচ্ছাসেবক দলের নেতা মোঃ সৈকত পারভেজ ও তার সহযোগী মোঃ আলীসহ ৩৫-৪০ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার বাড়িতে হামলা চালায়। তারা বাড়ির গেইট ভাঙার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে পাশের দেয়াল টপকে ভেতরে প্রবেশ করে ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়।


তিনি বলেন, হামলাকারীরা তার একটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে এবং ঘরে থাকা ৩২ ইঞ্চি স্মার্ট টেলিভিশন, প্রায় দেড় ভরি স্বর্ণালংকার (আনুমানিক মূল্য ২ লাখ ১৫ হাজার টাকা) ও ৪০ জোড়া কবুতর (মূল্য প্রায় ৪০ হাজার টাকা) লুট করে নিয়ে যায়। এছাড়া তার পিতারকে মারপিট করে ছাগলের ঘর থেকেও দুটি ছাগল ছিনিয়ে নেওয়া হয়।


মুস্তাকিনের অভিযোগ, হামলার সময় তার ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী শারমীনকে মারধর ও শ্লীলতাহানি করা হয়। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গাইনী বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত সম্পর্কে তিনি দাবি করেন, তার ভাই মোঃ আলামিন পূর্বে স্থানীয় প্রভাবশালী মোঃ আলীর মাদক বহনের সঙ্গে জড়িত থাকলেও বর্তমানে তা ছেড়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন। সম্প্রতি অভিযুক্তরা পুনরায় মাদক ব্যবসায় যুক্ত হওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করে এবং অস্বীকৃতি জানালে চাঁদা দাবি করে সৈকত ও আলী। এরই জেরে এই হামলার ঘটনা ঘটে বলে তার অভিযোগ।


এদিকে, ভুক্তভোগীর দাবি, হামলার সময় তিনি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে তাকে বোয়ালিয়া থানায় যোগাযোগ করতে বলা হয়। পরে থানায় একাধিকবার ফোন করেও তাৎক্ষণিক সাড়া পাননি। প্রায় ৪০ মিনিট পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বলে তিনি জানান।

বর্তমানে হামলাকারীরা প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ করে মুস্তাকিন সন্ত্রাসী নেতা সৈকতও আলীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। 
জানতে চাইলে বোয়ালিয়া মডেল থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ রবিউল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি আমার জানা নাই। তবে ভুক্তভোগী বাদি হয়ে অভিযোগ দিলে তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান ওসি।#

নিউজটি আপডেট করেছেন : [email protected]

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ